এমপিওভুক্তির দাবিতে আন্দোলনে নামছেন নন-এমপিও শিক্ষকরা

ফাইল ফটো

এমপিওভুক্তির দাবিতে ফের আন্দোলনে নামছেন নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা। ইতিমধ্যে নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশন চার দফা কর্মসূচি দিয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সরকারের দেয়া প্রতিশ্রুতির দ্রুত বাস্তবায়নে এ অন্দোলনে যাচ্ছে তারা। গত বৃহস্পতিবার সংগঠনটি এক সংবাদ সম্মেলনে এমপিওভুক্তির দাবিতে নতুন কর্মসূচির ঘোষণা করে। এর আগে বুধবার সংগঠনের এক সভায় চার দফা কর্মসূচির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যক্ষ গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে এমপিওভুক্তির জন্য আন্দোলন করে আসছি। টানা দুইমাস রাজপথে থেকে আমরা আন্দোলন করেছি। সরকারের সকল মহল থেকে আমাদের দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছেন।

সমপ্রতি আমরা শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। তিনিও আমাদের বিষয়টি নিয়ে কাজ করা হচ্ছে বলে অপেক্ষা করতে বলেছেন। অথচ আমাদের শিক্ষক-কর্মচারীরা মানবেতর জীবন-যাপন করছে, কেউ মুখ তুলে দেখছেন না। এ কারণে আমরা নতুনভাবে আন্দোলনে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। শিক্ষক নেতারা জানান, নির্বাচনের আগে এমপিওভুক্তির ব্যাপারে বেশ অগ্রগতি থাকলেও এখন সেটি থমকে গেছে। চলতি বছর বাজেটে এমপিওভুক্তির জন্য প্রায় ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ টাকা দিয়ে প্রায় ১ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত সম্ভব হবে।

শিক্ষকরা বলছেন, এমপিভুক্ত করার জন্য সব প্রক্রিয়া শেষ। এখন শুধু ঘোষণার বাকি। নতুন বাজেটের আর চার মাস বাকি। এর মধ্যে এমপিও ঘোষণা না হলে এ টাকা ফেরত যাবে। দ্রুত এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেয়ার দাবি জানান তারা। সংগঠনের পক্ষ থেকে চার দফা কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ১৫ই ফেব্রুয়ারির মধ্যে সকল জেলা ও উপজেলা কমিটি পুনঃগঠন, ১৯শে ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় একযোগে সকল জেলায় মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি এবং ২৬শে ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান একযোগে এমপিওভুক্তির জন্য সংবাদ সম্মেলন। সেখানে পরবর্তী কর্মসূচির ঘোষণা করা হবে।

এ ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব সালমা জাহান বলেন, নতুন এমপিও অবশ্যই হবে। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সব কাজ শেষ। এখন সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সিদ্ধান্তের অপেক্ষা। এ নিয়ে আর কোনো আন্দোলনের প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না।

Print Friendly, PDF & Email
×

সারা বাংলা সারা দিন-এর সাথেই থাকুন!