চীনে তৈরি পোশাকসহ ৮ হাজারের বেশী পণ্য রপ্তানির সুযোগ

রপ্তানি আয় বাড়াতে দেশের বড় বাণিজ্যিক অংশীদার চীনের সঙ্গে লেটার অব একচেঞ্জ বা বিনিময় চুক্তি করেছে বাংলাদেশ। এরফলে দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকসহ ৮ হাজার ২৫৬টি বা ৯৭ শতাংশ পণ্য দেশটির বাজারে শুল্ক মুক্ত ও কোটা মুক্ত সুবিধা পাওয়া যাবে। আজ শুক্রবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক বার্তায় এমন তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, দীর্ঘদিন দেশটির সঙ্গে দরষাকষির পর গত মঙ্গলবার চীন শর্তহীনভাবে বাংলাদেশকে ৯৭ শতাংশ পণ্যে শুল্ক-মুক্ত কোটা-মুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধা দেওয়ার আদেশ জারি করে। এর ফলে চীনের বাজারে বাংলাদেশের সকল সম্ভাবনাময় পণ্য শুল্ক-মুক্ত কোটা-মুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধা পাবে। আগামী ১ জুলাই ২০২০ থেকে এই চুক্তি কার্যকর হবে।

জানা যায়, বাংলাদেশের রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমে চীনের সাথে বাণিজ্য বৈষম্য কমিয়ে আনার লক্ষ্যে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এবং বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীনের নেতৃত্ব বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এই উদ্যোগ নেয়।

প্রঙ্গত : চীন ১ জুলাই ২০১০ থেকে স্বল্পোন্নত দেশসমূহকে শুল্ক-মুক্ত কোটা-মুক্ত বাজার সুবিধা দিয়ে আসছে। প্রাথমিকভাবে এ সুবিধার আওতায় বাংলাদেশসহ ৩৩টি স্বল্পোন্নত দেশ যাদের সাথে চীনের কূটনৈতিক সম্পর্ক আছে তাদেরকে চীনের ৬০শতাংশ ট্যারিফ লাইনে শুল্ক-মুক্ত সুবিধা দেওয়া হয়। কিন্তু চীন এ সুবিধা বাংলাদেশের রপ্তানি সক্ষমতার অনুকূল কিনা তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা যায় যে, বাংলাদেশের রপ্তানি সক্ষমতা আছে এমন অনেক পণ্য শুল্ক-মুক্ত সুবিধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি। এ প্রেক্ষিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের জন্য রপ্তানি সম্ভাবণাময় পণ্যে শুল্ক-মুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধা দেওয়ার জন্য চীনকে অনুরোধ করে।

চীন বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বাণিজ্য অংশীদার। গত ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে চীন থেকে বাংলাদেশে আমদানির পরিমাণ ছিল প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি ডলার, যার বিপরীতে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ ছিল মাত্র এক শ কোটি ডলারের কম।

Print Friendly, PDF & Email
×

সারা বাংলা সারা দিন-এর সাথেই থাকুন!