জাবির হল থেকে উদ্ধারকৃত নবজাতকের মৃত্যু

জাবির হল থেকে উদ্ধারকৃত নবজাতকের মৃত্যু
জাবির হল থেকে উদ্ধারকৃত নবজাতকের মৃত্যু

জাবির হল থেকে উদ্ধারকৃত নবজাতকের মৃত্যু

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজির হলের একটি কক্ষের তালাবদ্ধ ট্রাংক থেকে উদ্ধারকৃত নবজাতক মারা গেছে।

গতকাল শনিবার বেলা তিনটার দিকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর রাত পৌনে ১০ টায় নবজাতকের মৃত্যু হয়। এ ঘটনার তদন্তে হলের সহকারী আবাসিক শিক্ষক রাবেয়া খাতুন তানিয়াকে প্রধান করে চার সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটিকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হল প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে নবজাতকের মায়ের ( উদ্ভিদ বিজ্ঞান, ৪৬ ব্যাচ) চিৎকার শুনে আশপাশের শিক্ষার্থীরা তার প্রসব বেদনার কথা জানতে পারেন। পরে তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে এনাম মেডিকেল কলেজে স্থানান্তর করেন।

ওই হলের কয়েকজন আবাসিক ছাত্রী জানান, ওই ছাত্রীকে হাসপাতালে নেওয়ার পর তাঁর কক্ষ থেকে নবজাতকের কান্নার আওয়াজ পাওয়া যায়। খোঁজাখুজি করে কক্ষে থাকা ট্রাঙ্কের তালা ভেঙে নবজাতককে উদ্ধার করে হল প্রশাসন।

পরে নবজাতককে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে এনাম মেডিকেল পাঠান।
বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রের চিকিৎসক আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহ বলেন, মেডিকেলে আনার পর নবজাতকের শরীর সম্পূর্ণ নীল রং ধারণ করেছিল। অক্সিজেন দিয়ে বাচ্চাকে এনাম মেডিকেলে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক মুজিবর রহমান বলেন, বিষয়টি শুনার পর সঙ্গে সঙ্গে হলে যাই। কান্নার আওয়াজ শুনে কক্ষের ট্রাঙ্ক ভেঙে নবজাতককে উদ্ধার করে এনাম মেডিকেলে নিয়ে যাই। দুর্ভাগ্য বাচ্চাটি মারা গেছে।

Print Friendly, PDF & Email
×

সারা বাংলা সারা দিন-এর সাথেই থাকুন!