পাথরঘাটায় স্ত্রী হত্যার ১৩ বছর পর ফাঁসির আসামী গ্রেফতার

খালেদ মোশাররফ সোহেল, জেলা প্রতিনিধি, বরগুনা: বরগুনার পাথরঘাটায় চাঞ্চল্যকর তাজেনুর হত্যা ১৩ বছর পরে ওই মামলার আসামি স্বামী খলিলুর রহমানকে (৫৫) আটক করা হয়। বরগুনা জেলা পুলিশ ও পাথরঘাটা থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে আটক করে সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পাথরঘাটা থানায় নিয়ে আসা হয়। এর আগে ভোররাত চারটার দিকে বরগুনার সদর উপজেলার বদরখালী ইউনিয়ন থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

আটককৃত খলিলকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরন করেছে। আটক খলিল পাথরঘাটা উপজলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের তাফালবাড়ীয়া এলাকার মৃত আব্দুল করিমের ছেলে ও নিহত তাজেনুরের স্বামী।

পাথরঘাটা থানা পুলিশ সুত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালে পাথরঘাটায় তাজেনুর বেগমকে তার সৎ ছেলে এসমাইল হোসেন রাতের আধারে তার বাবার কথা বলে ডেকে ধান ক্ষেতে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে মরদেহ গুম করে। পরে স্থানীয়রা মরদেহ দেখলে পুলিশকে খবর দেয় পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাজেনুরের মরদেহ উদ্ধার করে। তাজেনুরের মরদেহে ২২টি ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চি‎হ দেখতে পাওয়া যায়। পরে তাজেনুরের সৎ ছেলে ইসমাইলকে হত্যর ঘটনার সাথে জরিত সন্দেহে আটক করে। ওই হত্যা মামলার অন্যতম আসামী সতিনের ছেলে ইসমাইল বর্তমানে জেল হাজতে রয়েছেন।

দীর্ঘ বছর পলাতক থাকার পরে তাজেনুর হত্যার অন্যতম আসামী স্বামী খলিলুর রহমানকে বরগুনা সদর উপজেলার বদরখালী ইউনিয়ন থেকে গ্রেফতার করা হয়।

পাথরঘাটা থানা ভারপাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাবুদ্দিন জানান, চাঞ্চল্যকর তাজেনুর হত্যা মামলায় ২০১৪ সালে তিন জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয় আদালত। এই মামলার মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামী খলিলকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email