ফাল্গুন উৎসবে মেতেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

বাদশা আলমগীর, কুষ্টিয়া থেকে : উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যদিয়ে ফাল্গুন উৎসবে মেতেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যার আয়োজক বিশ্ববিদ্যালয় সংগীত সংঘ। খোলা আকাশের নিচে, মিষ্টি রোদ্রে রঙিন ও সুন্দর পরিবেশের মধ্যে দিয়ে চলছে এ উৎসব । বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতিসৌধের সামনে ২মার্চ(শনিবার) দুপুর সাড়ে ১২টায় দিনব্যাপী মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে।

উৎসব নিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা হলে তারা জানায়, এবারের ফাল্গুন সকলের কাছে স্মৃতি হয়ে রবে, এক সাথে অনেক কিছু পেয়েছে তারা। নতুন প্রজন্ম এখন ফাল্গুন বরণ করছে বেশ আমেজের সঙ্গেই। অথচ প্রায় বিশ বছর আগেও ফাল্গুন উৎসবের চিত্র ছিল ভিন্ন। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রাক্তণ শিক্ষার্থী জানান তাদের সময়ের ফাল্গুন উৎসব আর বর্তমান যুগের ফাল্গুন আয়োজনে বেশ পার্থক্য আছে। এখন যতটা জমজমাটভাবে ফাল্গুন বরণ করা হয়, আমাদের সময়ে তেমনটা হত না। তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী বসন্ত বরণের জন্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করতো। এছাড়া আর তেমন কিছু হত না। এখন এতোটাই বড় করে ফাল্গুন আয়োজন হয়ে থাকে যে ক্যালেন্ডারের তারিখ ভুলে গেলেও রাস্তায় বের হলে বুঝতে পারে, যে কেউ ফাল্গুন চলে এসেছে।

এই বিষয়ে ইতিহাস গবেষক (নাম জানাতে অনিচ্ছুক) জানান, ভারতবর্ষে বসন্তোৎসবের ইতিহাস বেশ পুরানো। হিন্দুদের পৌরাণিক উপাখ্যান ও লোককথাগুলোতেও এই উৎসবের উল্লেখ্য পাওয়া যায়। হিন্দু বৈষ্ণবরা এ উৎসব বেশ আয়োজন করে পালন করে থাকেন। আর এই উৎসব বিভিন্ন নামে পরিচিত। যেমন: দোল, দোলপূর্ণিমা, হোলি। বৈষ্ণব বিশ্বাস অনুযায়ী, ফাল্গুনী পূর্ণিমা বা দোলপূর্ণিমার দিন বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণ আবির ও গুলাল নিয়ে রাধিকা ও অন্যান্য গোপীদের সঙ্গে রং খেলায় মেতেছিলেন। সেই ঘটনা থেকেই দোল খেলার উৎপত্তি হয়।

Print Friendly, PDF & Email
×

সারা বাংলা সারা দিন-এর সাথেই থাকুন!