1. sowdagor@gmail.com : সারাবাংলা ডেস্ক :
সীমান্ত জেলাগুলোতে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা
মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন
ঘোষনা
বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদপত্র সারাবাংলা সারাদিন ডট কম এর ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পনে সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা।  সারাবাংলা সারাদিন এর সাথেই থাকুন....

সীমান্ত জেলাগুলোতে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা

  • সময় সোমবার, ৭ জুন, ২০২১
করোনা

বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলের ভারত-সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। ঘটছে প্রাণহানির ঘটনাও। সংক্রমণ বাড়ায় জেলার হাসপাতালগুলোর করোনা ওয়ার্ডে শয্যা সংকট দেখা দিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন করোনা আক্রান্ত ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে তিনজনই চাঁপাইনবাবগঞ্জের। গত ২৪ ঘণ্টায় কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরে করোনা শনাক্তের হার যথাক্রমে ২৪.১৪ শতাংশ, ৩৩.৩৩ শতাংশ এবং ১৪.৯৩ শতাংশ।

কুষ্টিয়া জেলা সিভিল সার্জন ডা. আনোয়ারুল ইসলাম জানান, জেলায় করোনা সংক্রমণ উঠা-নামা করছে। আক্রান্তের হার কখনও বাড়ছে, কখনও কমছে। জেলায় এখন পর্যন্ত আক্রান্তের হার সর্বোচ্চ ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় কুষ্টিয়ায় ৫৬ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় ১৮৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৫ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছিল। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে করোনা রোগীদের জন্য ৫০টি শয্যা রয়েছে। এর মধ্যে আইসোলেশন শয্যা ৩০টি, অবজারভেশন শয্যা ২০টি।

হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে ৪৩ জন করোনা রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। চুয়াডাঙ্গায় গত ২৪ ঘণ্টায় ২৪টি নমুনা পরীক্ষা করে আট জনের করোনা শনাক্ত করা হয়েছে। শনাক্তের হার ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। জেলায় এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন দুই হাজার ৭০ জন এবং মারা গেছে ৭০ জন।

মেহেরপুরে ৬৭টি নমুনা পরীক্ষা করে ১০টি নমুনা পজিটিভ পাওয়া গেছে। শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৯৩ শতাংশ। এ নিয়ে মেহেরপুর জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজার ১০৩ জন এবং মারা গেছেন ২৩ জন। এদিকে রোববার রাজশাহীর দুটি পরীক্ষাগারে নমুনার বিপরীতে করোনা শনাক্তের হার ছিল ৪১ শতাংশ। এই পরীক্ষাগার দুটিতে আশপাশের জেলার নমুনাও পরীক্ষা হয়। এ ছাড়া যশোরে শনাক্তের হার ছিল প্রায় ২৬ শতাংশ, সাতক্ষীরায় ৩৮ ও খুলনায় ১৬ শতাংশ। গত শনিবারের হিসাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জে শনাক্তের হার ছিল প্রায় ৪১ শতাংশ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) নাদিম সরকার গণমাধ্যমকে বলেন, সংক্রমণের যে পরিস্থিতি, তাতে এই মুহূর্তে শয্যা বাড়িয়ে ২০০ করা হলেও রোগীতে ভর্তি হয়ে যাবে। কিন্তু ৫০ শয্যার বেশি পরিচালনার সক্ষমতা এই হাসপাতালের নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ
Logo Sarabangla Saradin